0
গুড়

খেজুরের গুড় আমাদের দেশে খুবই সুপরিচিত একটি খাবার।পৌষের শীতে ঘরে ঘরে শুরু হয় পিঠা বানানোর উৎসব। আর পিঠাকে সুস্বাদু করতে খেজুরের গুড়ের তুলনা নেই।শীত পড়তে না পড়তেই বাঙালি উৎসুক হয়ে থাকে খেজুরের গুড়ের জন্য। আর পায়েসে যদি খেজুরের গুড় দেওয়া হয় তাহলে তো তার স্বাদই বদলে যায়। শীতকালে গুড়ের স্বাদ বাঙালির কাছে মধুর সমান। আমাদের দেশে খেজুরের রস থেকে গুড় তৈরি হয়। বছরের শেষে গুড় দিয়ে তৈরি পিঠে, পুলি, পায়েস, মিষ্টি নিয়ে মজে থাকে বাঙালি।১০ গ্রাম গুড় থেকে পাওয়া যায় ১৬ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম। প্রতিদিন শরীরে যে পরিমাণ ম্যাগনেসিয়াম প্রয়োজন হয়, তার ৪ শতাংশই আসে গুড় থেকে। স্নায়ুতন্ত্রের প্রক্রিয়া সচল রাখে। ফলে, নার্ভের নানা রোগ প্রতিরোধ করে।

কেন ফলবাজারের খেজুর গুড় সেরা?

ব্যবসায়ীরা অনেক সময় বেশি মিষ্টি করার জন্য গুড়ে মেশায় কৃত্রিম চিনি, কখনওবা রঙ আকর্ষণীয় করতে মেশায় কৃত্রিম রঙ।

কিন্তু আমরা-

=>গাছ থেকে সরাসরি টাটকা রস আহারণ করে
স্বাস্থ্যসস্মত উপায়ে প্রক্রিয়াজাত করে গুড় সংরক্ষন করা হয়ে থাকে

=>খেজুরের রস জ্বাল দেওয়ার সময় চিনি মেশানো
হয় না। প্রাকৃতিকভাবেই গুড় হয় সুস্বাদু ও মিষ্টি। তবে অনেক অসাধু ব্যবসায়ী খাঁটি রস
না দিয়ে পানি মিশিয়ে জ্বাল দেন। ফলে গুড় মিষ্টি করার জন্য মেশাতে হয় চিনি। চিনি মেশানো
গুড় শক্ত হয়। খাঁটি  গুড় হবে নরম

 

=>স্বাস্থ্যসস্মত উপায়ে পেকেজিং করে গুড়
ডেলিভারি দেওয়া হয়।

 
 
 

    খেজুর গুড়ের যত উপকারিতা

১।আপনি যদি প্রতিদিন খাওয়ার পর একটু গুড় খান তাহলে হজম তাড়াতাড়ি হবে। গুড় আমাদের হজমে সাহায্য করা এনজাইমের শক্তিকে বাড়িয়ে দেয়।
২।শরীরে আয়রনের অভাব ঘটলে হিমগ্লোবিনের ঘাটতি হয় ফলে নানারকম সমস্যার সৃষ্টি হয়। গুড়ে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে। প্রতিদিন অল্প পরিমাণে গুড় খেলে শরীরে আয়রনের ঘাটতি কমতে পারে।
৩।প্রিমেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম বা ‌পিএমএস সমস্যায় কমবেশি প্রায় সমস্ত মহিলারা ভোগেন। প্রতিদিন নিয়ম করে অল্প পরিমাণ গুড় খেলে শরীরে হরমোনের সমতা বজায় থাকে। এছাড়া গুড় আমাদের শরীরে হ্যাপি হরমোনের বৃদ্ধি ঘটায় ও হরমোনের সমতা বজায় রাখে।

৪।আমাদের শরীরে কার্বোহাইডেড জাতীয় খাবার অথাৎ চিনি এনার্জি প্রদান করে। কিন্তু এই এনার্জি অনেক সময় আমাদের শরীরে রক্তে চিনির পরিমাণ বাড়িয়ে কিডনি, চোখ ও রক্তের চাপ বাড়িয়ে দেয়। গুড় খেলে এই সমস্যাটি কম হতে পারে। কারণ গুড় রক্তের সঙ্গে মিশতে কিছুটা সময় লাগে। ফলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ হঠাৎ করে বেশি কমে বা বেড়ে যেতে পারেনা। ফলে আমাদের শরীরের অন্যান্য অঙ্গগুলির ক্ষতি কম হয়।
৫।গুড় আমাদের শরীর গরম রাখতে সাহায্য করে। ফলে সর্দি, কাশি, ভাইরাল ফিবারের হাত থেকে রক্ষা করে ও শরীর গরম রাখে।

৬। ত্বককে যদি রাখতে চান মসৃণ, বয়স যদি ধরে রাখতে চান, তবে খেজুর গুড় খান। ফুসকুড়ি ও ব্রণ নিরাময়ে নিয়মিত খেজুর গুড় খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞর

Leave a Comment

Your email address will not be published.

0

TOP

X